Saturday, September 14, 2019
Thursday, September 5, 2019
দেওয়ানী মামলায় জানা প্রয়োজন
দেওয়ানী মামলায় জানা প্রয়োজন
দেওয়ানী মামলা কি?
যখন কোন অধিকার বা দাবি আদায় অথবা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করা হয় সেই
মামলাকে
দেওয়ানী মামলা বলে।
দেওয়ানী মামলার উদাহরণঃ
- চুক্তি প্রতিপালনের মামলা; যেমন : পাওনা টাকা উদ্ধারের মামলা, চুক্তির শর্ত মানার মামলা ইত্যাদি
- জমি-জমা নিযে বিবিধ মামলা; যেমন : নামজারি (মিউটেশন), নামখারিজ বা খতিয়ান সংশোধন ইত্যাদি
- সম্পত্তি দখল উদ্বার বা অধিকারের মামলা
- স্থায়ী অথবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (ইনজাংশন) মামলা
- দলিল সংশোধন ও বাতিলের মামলা
- পারিবারিক মামলা: যেমন : দেনমোহর, ভরণপোষণ (খোরপোষ), বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক ,পারিবারিক সম্পর্কের পুনরুদ্ধার, দত্তক, উত্তরাধিকার, সন্তানের হেফাজত ইত্যাদি;
দেওয়ানী মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তি
ধরণ অনুযয়ী দেওয়ানী মামলা বিভিন্ন আদালতে দায়ের করতে হয়। যে মামলা যে আদালতের
এখতেয়ারাধীন, সেই আদালতের কর্মকর্তার কাছে মামলাটি দায়ের করতে হয় । জমি-জমার ও
অধীকার সর্ম্পকৃত মামলাগুলো সাধারণত জেলা জজ আদালতের সহকারী জজ আদালত
অথবা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে হয়। পারিবারিক বিরোধের মামলা পারিবারিক
আদালতে দায়ের করতে হয়। যিনি মামলায় প্রতিকার বা অধীকার চাইবেন তিনি মামলার বাদী,
আর যার বিপক্ষে মামলা করেন তিনি বিবাদী। বাদীর আবেদনের পর আদালত বিবাদীর
প্রতি সমন ইস্যু করন। সমনের প্রেক্ষিতে বিবাদী লিখিত জবাব দেবেন। এরপর আদালত বাদী
এবং বিবাদী উভয় পক্ষকে আদালতে ডেকে তাদের অভিযোগ এবং জবাব শুনবেন,
পর্যালোচনা
করবেন, সবশেষে আদালত তার রায় বা ডিক্রী প্রচার করেন।
দেওয়ানী মামলায় যে সব দলিলপত্র প্রয়োজন ?
- সম্পত্তির ক্রয়-বিক্রয়ের মূল দলিলসহ বায়া-দলিলসমূহ (মালিকানার প্রমাণস্বরূপ)
- সি.এস খতিয়ান, আর.এস খতিয়ান ও বি.এস খতিয়ান বা পর্চা
- নামজারি হয়ে যাওয়ার পর রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে পাওয়া নকল
- সর্বশেষ পরিশোধীত খাজনার রশিদ (দখলের প্রমাণ)
- অধীকার বা মর্যাদা সংক্রান্ত মামলায় দাবির স্বপক্ষে দলিলপত্র (নিয়োগপত্র, রেজুলেশন, অফিস আদেশ-এর নকল)
- পারিবারিক মামলায় কাবিননামা, জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ডেথ সার্টিফিকেট (উত্তরাধিকার মামলায়, নামজারি ও নাম খারিজ)
দেওয়ানী মামলা কি?
যখন কোন অধিকার বা দাবি আদায় অথবা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করা হয় সেই মামলাকে
দেওয়ানী মামলা বলে।
যখন কোন অধিকার বা দাবি আদায় অথবা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা করা হয় সেই মামলাকে
দেওয়ানী মামলা বলে।
দেওয়ানী মামলার উদাহরণঃ
- চুক্তি প্রতিপালনের মামলা; যেমন : পাওনা টাকা উদ্ধারের মামলা, চুক্তির শর্ত মানার মামলা ইত্যাদি
- জমি-জমা নিযে বিবিধ মামলা; যেমন : নামজারি (মিউটেশন), নামখারিজ বা খতিয়ান সংশোধন ইত্যাদি
- সম্পত্তি দখল উদ্বার বা অধিকারের মামলা
- স্থায়ী অথবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (ইনজাংশন) মামলা
- দলিল সংশোধন ও বাতিলের মামলা
- পারিবারিক মামলা: যেমন : দেনমোহর, ভরণপোষণ (খোরপোষ), বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক ,পারিবারিক সম্পর্কের পুনরুদ্ধার, দত্তক, উত্তরাধিকার, সন্তানের হেফাজত ইত্যাদি;
দেওয়ানী মামলা দায়ের ও নিষ্পত্তি
ধরণ অনুযয়ী দেওয়ানী মামলা বিভিন্ন আদালতে দায়ের করতে হয়। যে মামলা যে আদালতের
এখতেয়ারাধীন, সেই আদালতের কর্মকর্তার কাছে মামলাটি দায়ের করতে হয় । জমি-জমার ও
অধীকার সর্ম্পকৃত মামলাগুলো সাধারণত জেলা জজ আদালতের সহকারী জজ আদালত
অথবা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে হয়। পারিবারিক বিরোধের মামলা পারিবারিক
আদালতে দায়ের করতে হয়। যিনি মামলায় প্রতিকার বা অধীকার চাইবেন তিনি মামলার বাদী,
আর যার বিপক্ষে মামলা করেন তিনি বিবাদী। বাদীর আবেদনের পর আদালত বিবাদীর
প্রতি সমন ইস্যু করন। সমনের প্রেক্ষিতে বিবাদী লিখিত জবাব দেবেন। এরপর আদালত বাদী
এবং বিবাদী উভয় পক্ষকে আদালতে ডেকে তাদের অভিযোগ এবং জবাব শুনবেন,
পর্যালোচনা
করবেন, সবশেষে আদালত তার রায় বা ডিক্রী প্রচার করেন।
দেওয়ানী মামলায় যে সব দলিলপত্র প্রয়োজন ?
- সম্পত্তির ক্রয়-বিক্রয়ের মূল দলিলসহ বায়া-দলিলসমূহ (মালিকানার প্রমাণস্বরূপ)
- সি.এস খতিয়ান, আর.এস খতিয়ান ও বি.এস খতিয়ান বা পর্চা
- নামজারি হয়ে যাওয়ার পর রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে পাওয়া নকল
- সর্বশেষ পরিশোধীত খাজনার রশিদ (দখলের প্রমাণ)
- অধীকার বা মর্যাদা সংক্রান্ত মামলায় দাবির স্বপক্ষে দলিলপত্র (নিয়োগপত্র, রেজুলেশন, অফিস আদেশ-এর নকল)
- পারিবারিক মামলায় কাবিননামা, জন্ম সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ডেথ সার্টিফিকেট (উত্তরাধিকার মামলায়, নামজারি ও নাম খারিজ)
Subscribe to:
Posts (Atom)
Blogroll
Popular Posts
Blog Archive
- September 2019 (2)




